HomePhotographyদিঘায় চিংড়ি আর কাঁকড়া খেয়ে মৃত্যু পর্যটকের!

দিঘায় চিংড়ি আর কাঁকড়া খেয়ে মৃত্যু পর্যটকের!

নিজস্ব সংবাদদাতা:
বেড়াতে গেলে সেখানকার খাবার চেখে দেখার অভ্যাস অনেকেরই। কিন্তু সেই শখই প্রাণ কাড়ল কলকাতার এক বাসিন্দার। দিঘায় (Digha) বেড়াতে এসে পাত পেড়ে কাঁকড়া আর চিংড়ির পদ খেয়েছিলেন কলকাতার বেহালার বাসিন্দা সৌম্যদীপ শিকদার। আর তাতেই মৃত্যু হল তাঁর। শনিবার মর্মান্তিক এই ঘটনাটি ঘটেছে ওল্ড দিঘায় (Old Digha)।শনিবার দুপুর নাগাদ ওল্ড দিঘায় ব্যারিস্টার কলোনির একটি হোটেলের ঘটনা। সেখানকার একটা হোটেলে জমিয়ে খেতে বসেছিলেন সৌম্যদীপ। অর্ডার করেছিলেন নানারকম সি-ফুড। কিন্তু চিংড়ি আর কাঁকড়ার পদটা সামান্য একটু চেখে দেখেছেন কী দেখেননি, শুরু হয় শারীরিক অস্বস্তি। প্রথমে ঠোঁটে চুলকুনি। তার পর পেটের মধ্যে তোলপাড়। খাবার খেতে বসে সেখানেই সংজ্ঞা হারিয়ে ফেলেন বছর বাইশের যুবক সৌম্যদীপ শিকদার। চমকে ওঠেন সবাই।তড়িঘড়ি যুবককে উদ্ধার করে নিয়ে যাওয়া হয় দিঘা হাসপাতালে। কিন্তু কিছুই করা যায়নি। সেখানেই মৃত্যু হয় যুবকের।খাদ্যজনিত অ্যালার্জির কারণে তার মৃত্যু হয়েছে বলে অনুমান চিকিৎসকদের। চিকিৎসকেরা বলছেন, অ্যালার্জিই অকালে প্রাণ কেড়ে নিল যুবকের। জানা গিয়েছে, বেহালা এলাকায় বাড়ি ওই যুবকের। পরিবারের সঙ্গেই শুক্রবার দিঘা বেড়াতে এসেছিলেন। তার মধ্যেই এমন ঘটনা। বাড়ির ছোট ছেলের এমন আকস্মিক মৃত্যুর ঘটনায় কার্যত হতভম্ব পরিবারের লোকজন।মৃত যুবকের মাসি সুস্মিতা মজুমদারের কথায়, “ওর অ্যালার্জির সমস্যা ছিল। তাই কাঁকড়া- চিংড়ি খাওয়া বারণ ছিল। কিন্তু দুপুরে ভাতের সঙ্গে কাঁকড়া- চিংড়ি খেল। তার পরই এমন ঘটনা ঘটল। প্রথমে কামড়ে কোনও অসুবিধা হয়নি। কিন্তু বেশ কিছু ক্ষণ পর এই বিপত্তি ঘটে।”এদিকে এদিনই দিঘা থেকে কলকাতা সড়কপথে দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে এক ব্যক্তির। তা নিয়ে বিক্ষোভে ফেটে পড়েন স্থানীয়রা। জানা গিয়েছে, এদিন বেলায় ১১৬ বি জাতীয় সড়কে মহিষাগোট বাস স্ট্যান্ডে কাছে দিঘা থেকে কলকাতাগামী একটি সরকারি বাসের ধাক্কায় মৃত্যু হয় পীযূষ মাইতি নামে এক ব্যক্তির। তাঁর বাড়ি কালতলিয়া, মহিষাগোট এলাকায়। এদিন বাজার করতে আসার সময় ওই সরকারি বাসটি ওভারটেক করতে গিয়ে সজোরে তাঁকে ধাক্কা মারে।এরপর স্থানীয় বাসিন্দারা পথ অবরোধ করে। পুলিশ ঘটনার খবর পেয়ে অকুস্থলে গেলে তাদের ঘিরে বিক্ষোভ দেখায় স্থানীয়রা। স্থানীয় বাসিন্দারদের দাবি, মৃত ব্যক্তির দুটি নাবালিকা সন্তান রয়েছে। তাদের সঠিক শিক্ষার ব্যবস্থা এবং স্ত্রীর চাকরির ব্যবস্থা করতে হবে। না হলে তাঁরা পথ অবরোধ তুলবে না বলে জানিয়ে দেন।পুলিশ বারবার তাঁদের বোঝানোর চেষ্টা করলেও কোনওভাবে অবরোধ তুলতে রাজি হননি তাঁরা। এর পর শুরু হয় পুলিশের সঙ্গে ধ্বস্তাধস্তি। পুলিশকে লক্ষ্যে ইট ছোড়া হয় বলেও অভিযোগ। পাল্টা পুলিশ লাঠিচার্জ করে স্থানীয় বাসিন্দাদের বেধড়ক মারধর করে বলে অভিযোগ। পুরো ঘটনার জন্য পুলিশ তিন জনকে গ্রেফতার করেছে বলে সূত্রের খবর।

RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -

Most Popular

Recent Comments