HomePhotographyসাঈদী সাহেবের বিরুদ্ধে মিথ্যা সাক্ষী দাতা দের করুন পরিনতি!

সাঈদী সাহেবের বিরুদ্ধে মিথ্যা সাক্ষী দাতা দের করুন পরিনতি!

নিজস্ব সংবাদদাতা: সোনার হরিণ খুজতে গিয়ে শিকারে পরিনত হলেন দেলওয়ার হোসেন সাঈদি সাহেবের ৮ সাক্ষী। বাদী সহ ৯ জনই পিরোজপুরের পাড়ের হাটের মানুষ। জঘন্য মিথ্যাচারকারী সাক্ষী মোস্তফা হাওলাদারকে কে বা কারা হত্যার পর, আরেক জনের বাড়ীতেও হামলা হয়, তখন ২০১৩ সালে সরকার সাক্ষী সুরক্ষা আইন করে সাক্ষীদেরকে পাহারার জন্য পুলিশ দেয়। ৭২ বছর বয়সী মধুসুদন ঘরামী বলেন, আমার নিরাপত্তার জন্য পুলিশ দেয়। সরকার প্রথমে টাকা দিত এখন আর দেন না। আজ পাঁচ বছর পর্যন্ত কোন কাজ নেই, তার উপরে পুলিশকে খাওয়া দিতে হয়। ছেলেরা ভয়ে কোথায় যেতে পারেনা,কেউ চাকরি দেয়না। পুলিশকে চলে যেতে বললেও যায়না! এই যন্ত্রনা থেকে ভগবান আমাকে নিয়ে গেলে অনেক ভালো হত! সরকারের চাপে কেন এই সাক্ষী দিতে গেলাম? সাক্ষী আব্দুল জলিল, তিনি একজন গ্রাম্য হাতুড়ে ডাক্তার, পাড়েরহাট বাজারে একটি ফার্মেসি আছে। সাক্ষী দেওয়ার পরথেকে কোন মানুষ ওর কাছে আসেনা। আগে মাসে ৩০ থেকে ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত বাচাতে পারতাম। এখন ১০০০ টাকা ও ইনকাম নেই। সরকার আমাকে দিয়ে কেন এমন কাজটি করাল? সারাটি দিন পুলিশের সাথে আড্ডা মেরে জীবন কাটাচ্ছি। পুলিশ থাকার কারণে, কোন আত্মীয় স্বজন বাড়ীতে আসেনা। সমাজে আমাকে কেউ বিয়েতে দাওয়াত দেয়না। আমার দুইটি যুবতি মেয়ে আছে কেউ বিয়েও করতেছেনা। আজ ৫ বছর যাবত পুলিশদের খাওয়া দিতে হয়! জীবনটা এমন হবে জানলে এই কাজ করতাম না। সাক্ষী গোপাল চন্দ্রপাড়ের হাটে তার একটি দোকান ছিল। খুব সুন্দর করেই চলছিল তাহার সংসার। সাঈদীর সাক্ষীর পর এলাকার কোন হিন্দু পর্যন্ত আমার দোকান থেকে বাজার করেনা! সারাক্ষণ দোকানে পুলিশ বসে থাকে! টয়লেটে গেলেও সাথে পুলিশ থাকে! আজ ৫ বছর কোন মেয়ের শশুরবাড়ী পর্যন্ত যেতে পারিনা। পুলিশ কোথাও যেতে দেয়না। এলেকার কোন মানুষ আমার বাড়ীতে আসেনা। সামাজিভাবে কারো সাথে কোন সম্পর্ক নেই। ৫ বছরে আমার বাড়ীতে কোন মেহমান আসেনি! প্রতিদিন পুলিশকে ভালো তরকারী দিয়ে খাওয়া দিতে হয়। শেষ পর্যন্ত আমাকে চাষের জমি বিক্রি করতে হয়। সরকারের এই জুলুমের বিচার ভগবান কে দিলাম। সাক্ষী আব্দুল জলিল শেখ, তিনি রেডিও টেলিভিশনের মেকানিক ছিলেন। কেউ তার দোকানে আর আসেনা। এখন দোকান বন্ধ। নিজের জমিতে গেলেও সাথে পুলিশ থাকে। দুই ছেলে চাকরি করত, বিভিন্ন হুমকির কারনে ছেরের চাকরি না করে চলে আসে! পুরো ফিরোজপুরে আমার ছেলের জন্য একটু মেয়ে পেলাম না। কেউ আমাদের সাথে আত্মীয়তা করতে চায়না। সামাজিকভাবে আমাদের সাথে কারো সম্পর্ক নেই। আমাদেরকে কেউ দাওয়াত দেয়না! সরকার আসাদের প্রতি যে জুলুম করেছে আল্লাহ তার বিচার করবে। সাক্ষী মানিকেরদুইটি রুম আছে একরুমে পুলিশ থাকে আরেক রুমে আমরা থাকি। আমার উপযুক্ত মেয়ের সাথে পুলিশের সম্পর্ক হয়,পুলিশ প্রধানকে বিচার দিলাম, কোন ফল ফেলাম না। দিন মজুরের কাজ করতাম, এখন কেউ কাজে ডাকেনা, কাজে গেলেও সাথে পুলিশ থাকার কারণে কেউ কাজে ডাকেনা। নিজেরা উপবাস থেকেও পুলিশকে খাওয়াইতে হয়। সাক্ষী মাহবুব আলম, প্যারালাইসিস রোগে পঙ্গু, একরুমে তিনি, আরেক রুমে পুলিশ থাকে। তিনি পুলিশ লাগবেনা বলে উপরে দরখাস্ত করে, তবে পুলিশ বলেন এটি আইন হয়ে গেছে। পুলিশ যাওয়ার কোন সিস্টেম নেই। তিনি গাড়ী গরু ছাগল সব বিক্রি করে পুলিশদেরকে খাওয়ান। সাক্ষী গৌতম চন্দ্রেরছেলেরা বাবাকে ফেলে কোথায় চলে যায়। গৌতমের স্ত্রী মারা যাওয়ার পর ৭২ বছর বয়সে সরকার তাকে রিফিউজি কেম্পে একটি রুম দেয়।তিনি বিকাল ৬ টা থেকে সকাল ৭ টা পর্যন্ত থানায় থাকে বাকি সময়টা কেম্পে থাকে। গৌতম নাকি চিৎকার করে করে কান্না করে। জীবনের এই ভুলের জন্য ভগবানের কাছে প্রার্থনা করে। ভগবানের কাছে নিজের মৃত্যুর কামনা করে। মিত্যার পরিণতি এভাবে হয়। ওরা সবাই এই সরকারের আমলেই মৃত্যু কামনা করতেছেন। না হয় পিরোজপুরের অভুক্ত কুকুর বসে আছে ওদের লাশ খাওয়ার জন্য। ওদের থেকে আমাদের সাঈদি সাহেব অনেক সুখেই আছে। যুগে যুগে মিথ্যুকের পরিনতি এভাবেই হয়।

RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -

Most Popular

Recent Comments